Posts

Kalinka

Image
ও কিলিনকা, কিলিনকা, কিলিনকা আমার
বাগানে আছে আরো মিলিনকা, মিলিনকা আমার।


আহ পাইন গাছের ঘন সবুজ মাথার ছায়া
আমায় ঘুম পাড়িয়ে দেয়
অহ লুলি লুলি, অহ লুলি লুলি দোলায় দোলায় আমায় ঘুম এসে যায়



Калинка, калинка, калинка моя!  В саду ягода малинка, малинка моя!
Ах, под сосною, под зеленою,  Спать положите вы меня!  Ай-люли, люли, ай-люли, люли,  Спать положите вы меня.
"Kalinka" (Russian: Калинка) is a Russian song written in 1860 by the composer and folklorist Ivan Larionov and first performed in Saratov as part of a theatrical entertainment that he had composed. Soon it was added to the repertory of a folk choral group. wiki...


ফুল ফুটুক না ফুটুক ...

Image
… তোর বাড়ীর দেয়ালটা, টেবিলটা
টান টান করে বেছান চাদর, তোদের কলতলা,
তোর মায়ের গায়ের হালকা রঙ্গের শাড়ীর পাড়
সব মনে পড়ে গেল………
খোকন, কোথা যাস বাবা,
তোরা কিছু খেয়ে যা, না খালা বাইরে খাবো
বাইরে তখন ঔড়েদের ছাতু কিংবা রাধাবল্লভী
সেও ছিল বেশ
এমনতর মেকী শীতল ঘরে বসে
শরু চালের ভাত, চিতল মাছের পেটি? এই কী চাওয়া,
প্রভূ ভুল শুনেছ, আমি চেয়েছি কাঠ ফাটা রোদে
তিনটে ফুলকোলুচি, একটু বেশী আলু কষা,
প্রাচীর পাশের ফুটপাথে….
ঠিক দুপুরে সে কথা খাটে না, চাট্টি খেতে হয়
মধ্যবৃত্ত মানুষ, রোজ মাছের ঝোল বা গোস পড়েনা পাতে
গোর্বাচেভ তখনো রাশীয়া ভাঙ্গেনি
রাশান সাহিত্যের চেকভ তখন সাড়ে সাত টাকা
মুসলমান, গরু গোস খাই, বার টাকা কিলো
তাও হপ্তায়ে ক’বার
চার কামরার নিজের বাড়ী, ছাদে টিন ছাওয়া
একটাই করপোরেশনের টাট্টি
কলতলাও একটাই, একটা, রান্নার ঘর, তারি সুমুখে
মাদুর পেতে খাওয়া, মেহান এলে
খাটের নিচ থেকে টেনে বের কবা রড়ের টি-টেবিল
প্লাস্টিকে বোনা, শোয়ার তথা বসার ঘরে।
তাতেই আট ভাই বোন, দুটো চাচা চাচী, সুস্থ দাদী
আত্মীয় স্বজন, মুখের খাজে হাসি, ছোট মামা এলে,
ঈদ এসে যায়, বড় মামা রাশভারী মাষ্টার,
চার খালার পাত্র সব, এখানেই দেখা। যাহ!
তোর বাড়ী আমার বাড়ী একি সাথে হয়…

Man from Ape

Millions of years ago, Science says
Ape, very gentle animals
Adopt themselves into a developed creature
Human

They fought world wars, innovate firearms
Nuclear bombs and kills people every days
And nights

Some tigers, a spokesman says, are planning To adapt themselves, so friends
think of the world after next millions years

আরব্য রজনী

রিচার্ড এফ বার্টনের ইংরাজী অনুবাদ থেকে বাংলা ভাষান্তর
[আংশীক] অতপরঃ। আমাদের পূর্বপুরুষগণ যে সমস্ত কাজ করে গেছেন বা যে সব কথা বলে গেছেন তা নিশ্চয়ই এই আধুনিক কালের মানুষদের কাছে একেকটি দৃষ্টান্ত বা উদাহরণে হয়ে উঠেছে, ফলে যেন অতীতকালে অন্যান্যদের জীবনে কি ধরনের সম্ভাবনা বা সুযোগ ও ঝুকি এসেছে তা সর্বকালের সাধারণ মানুষ দেখতে পায়, এবং সে জীবনে সর্তক হতে পারে; আরো যাতে আমরা অতীতের মানুষজনের জীবনের কাহিনি আর সমস্ত ঘটনা পুরোপুরি বুঝতে পারি, কীভাবে তারা শাসিত এবং পালিত হয়েছে:--সেহেতু প্রসংশা করো তাদের যারা অতিতের ইতিহাস গড়েছে এবং বর্তমান কাল অবধি সময়কে সতর্ক করছে। দৃষ্টান্ত স্বরূপ বলা চলে যেমন কোন উপাখ্যান, “আরব্য রজনী,” এক দিক দিয়ে তা’ যেমন তাদের বিখ্যাত পৌরাণিক কথা, অপর দিকে তা’ বিস্ময়কর গল্প কাহিনি। এতে সুদীর্ঘ অতিত কাল আর প্রাচীনকালের শ্রোতধারা বর্তমানের সাথে একই সম্পর্কসূত্রে বাধা। (তবে আল্লাহ জানেন তার সমস্ত লুক্কায়িত জিনিসের খোজঁ আর সব সাশিত জিনিসের খোঁজ, সন্মানিত, সকল দান সকল করুনা  আর সমস্ত মার্জনার খোজ খবর, শুধু তাঁর জানা।) চলবে...

লজ্জা

লুবনার গালে এখন আর কোন স্পষ্ট ছাপ নেই, তবু মনের কোথায় যেন এক চিলতে জমিতে হালে চষা মাটির ওপর মাটির দাগের মতই দাগ বসে গেছে। তিন বছরের বিবাহিত জীবনে গত ন’মাসেই ওর মনের আপন ভূবনটা চষা হয়ে গেছে পুরোপুরি। এই ক’মাসে ওদের একটা সুন্দন সন্তান হতেও পারতো। লুবনা হাসে। এক রাতে সন্তানের এই আগ্রহের জন্যই মাতাল কায়েশ স্ত্রী লুবনার গালে প্রথম .....
আজকাল আর বিশেষ কোন প্রসঙ্গের প্রয়োজন হয় না। যে কোন প্রসঙ্গেই কায়েশ লুবনার গায়ে হাত তুলতে দিদ্ধা করে না। লুবনা আজকাল কাঁদতেও ভূলে গেছে। বা বলা যায় কাঁদতে  বিরক্ত লাগে আজকাল। বরং গালে সামান্য পাফ করে, বগলে ডিওড্রেন্ট স্প্রে করে চলে আসে হাতের কাছের কফি পার্লারে। মনে মনে কত কী ভাবে। আজ ভাবছিল ময়নার মায়ের কথা্ ওরাই বেশ ভাল আছে। নারীদের সমানাধিকারের লড়াইটা ওরাই বেশ একা লটছে। বস্তিতে থাকে, নিজে নিজের আয় রোজগার করে নেয় । স্বামী দুটো মারলে সেও দুটো মারে।
কফি পার্লারে ওপাশে একটা সুশ্রী যুবক ওর দিকে ওকে তরিয়ে তরিয়ে চোখে চোখে গিলছে। এতেও এক ধরনের শুখ মনে কিলিবিলি কাটে। ময়নার মত যুবতীরা আর ওর মায়েরা কখনো এমন সুখের সাধ পায় না। নাকী পায়।

ত্রয়ীর এক

রহমান আঠেরো তলায়ে লিফ্টে উঠেও বদলের ফ্ল্যাটের গেটে সামনে দাঁড়িয়ে কলিং বেলে চাপ দিয়ে ঘামছিল। প্রায় কোটি টাকা মূল্যের ফ্লাটটার গেটখানা দেখেই ‘থ মেরে রহমান ভাবে, এ বাড়ির জন্যে নির্ঘাত দশ বারো লক্ষ্য টাকা খরচ হয়েছে। তা বাদল সাংবাদিকতা করে এত টাকা ... মনের কথা মনে থাকতে থাকতেই একটা মেয়ে নকসা কিশোর দরজা খুলে বললো, কাকে চাই?
--বাদল ভাই? ভাই শব্দটা বলবার আগে তার দু’বার ঢোক গিলতে হলো।
--দাড়ান দেখছি। মেয়ে নকসার কন্ঠে দারুন বিরক্তি।
দু’মুহূর্ত পর ফিরে এসে হেসে হেসে জানতে চায়, আপনার নামটাতো জানা হলো না! মধুকন্ঠী ছেলেটা প্রমান করে: কন্ঠে শর্করা, শরীরে ছন্দবদ্ধ সঞ্চালন আর চোখ-মুখে মিষ্টি হাসি লাগানো গেলেও আপ্যায়ণকর্মে নারীরাই উত্তম। অন্তত অতিথীকে অস্বয়াস্ততিতে পড়তে হয় না। রহমান বললো, রহমান, গিয়ে বলো ভেদাপেতা থেকে রহমান।
-- ভেদাপেতা! ভেদাপেতা কী জায়গার নাম? মেয়ে নকসা খিল খিল করে হাসতে হাসতে বাড়ির ভেতর দিকে চলে গেল কিত কিত খেলার ঢঙ্গে। রহমানের সন্দেহ হয়, মেয়ে নাতো? চুলে, জামা-কাপড়ে স্পস্ট ছেলে, শুধু কন্ঠে মধু।
রহমানের বেশ খানিক বিরক্তি লাগে কিন্তু কিছু করবার নেই। স্যান্ডো গেঞ্জি গায়ে, পাজামা পরা ডিগ…